গোয়াইনঘাটে নেশাগ্রস্ত হয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা: যুবলীগ নেতা আটক, পলাতক ১

প্রকাশিত: ৬:৪৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৮, ২০২০

গোয়াইনঘাটে নেশাগ্রস্ত হয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা: যুবলীগ নেতা আটক, পলাতক ১

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি ::

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের লংলাখাল (ইসলামাবাদ) গ্রামে ১৫ বছর বয়সী এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা কবির আহমদ (৩৮)-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আটক ধর্ষক পাৰ্শ্বৱৰ্তী মনাইকান্দি গ্রামের আলা উদ্দিনের পুত্র ।

ধর্ষণের ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রীর মা বাদি হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি মামলা দায়েরে করেন। মামলায় আসামিরা হলেন- উপজেলার মনাইকান্দি গ্রামের আলা উদ্দিনের পুত্র ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা কবির আহমদ ও সুলতানপুর গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে যুবলীগ নেতা দেলওয়ার হোসেন কিবরিয়া। কবিরকে আটকের পর আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং সহযোগী যুবলীগ নেতা দেলওয়ার পলাতক রয়েছেন।

জানা যায়, (৭ অক্টোবর) বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক দুই ঘঠিকার সময় তরুনী পেস্ৰাব করতে ঘরের বাহিরে গেলে পাৰ্শ্ববর্তী একটি ঘরে মদের আসরে থাকা কতিপয় ওই দুই যুবলীগ নেতা নেশাগ্রস্ত হয়ে তরুণীকে আকড়ে ধরেন। তরুণী চিৎকার শুনে ঘর থেকে বের হয়ে আত্মীয় স্বজনরা একজনকে আটক করে। এ সময় তার সাথে থাকা অপর যুবলীগ নেতা দেলওয়ার পালিয়ে যান।

পরে উপস্থিত জনগন আটক যুবলীগ নেতা কবিরকে গণধুলাই দিয়ে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে সাথে সাথে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের এস আই মহসীন এর নেতৃত্বে সংঙ্গীয় ফোর্স তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা কবির আহমদ ও দেলওয়ার হোসেন কিবরিয়া তারা দলীয় প্রভাব খাঁটিয়ে এলাকায় নেশাগ্রস্ত হয়ে মাতলামী করতেন। তাদের যন্ত্ৰণায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। দলীয় এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে। স্থানীয়রা কেউ ভয়ে এদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। যার ফলে এলাকার অনেক অসহায় তরুণীদের সাথে এমন কান্ড করে আসছেন। ভয়ে কেউ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি€€

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গোয়াইনঘাট অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আহাদ কবির কে আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান মেয়েটি রাতে বাতরুমের জন্য বাহিরে হলে কবির ও তার সহযোগি ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য দেলোয়ার হোসেন কিবরিয়া মেয়েটি জোর পূর্বক ধরে পাশ্ব বর্তী একটি বাগানে নিয়ে যেতে চাইলে মেয়েটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে কবির কে আটক করলেও যুবলীগ নেতা দেলোয়ার পালিয়ে যায়। আজ দুপুরে কবির কে কোর্টে প্রেরন করা হয়েছে এবং অপর আসামী দেলোয়ার কে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য মুন্সী আব্দুল মুমিন জানান আমি ঘটনাটি শুনেছি তবে আমি বর্তমানে এলাকার বাহিরে আছি। এ ব্যাপারে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আহমেদ মুস্তাকিন জানান আমরা খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক তাদের কে বহিস্কার করেছি এবং তাদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ