দুই নবজাতকের লাশ নিয়ে হাইকোর্টে বাবা

প্রকাশিত: ১২:২৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩, ২০২০

দুই নবজাতকের লাশ নিয়ে হাইকোর্টে বাবা

দুই নবজাতকরে চকিৎিসার জন্য তনিটি হাসপাতালে গয়িছেলিনে বাবা। কন্তিু কোনো হাসপাতালে মলেনেি চকিৎিসা। মারা যায় দুই প্রয়ি সন্তান। শষে র্পযন্ত ন্যায়বচিার পতেে সন্তানরে লাশ নয়িে হাইর্কোটে যান বাবা।

সোমবার সকালে জমজ দুই সন্তানরে লাশ নয়িে বাবা আবুল কালাম আজাদ আদালত চত্বরে যান। এরপর বচিারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদাররে হাইর্কোট বঞ্চেে এ বষিয়টি নজরে আনলে আদালত রুল জারি করনে।

রুলে চকিৎিসা অবহলোয় ববিাদীদরে নষ্ক্রিয়িতা কনে অবধৈ হবে না তা জানতে চয়েছেনে। এছাড়া তনি হাসপাতালরে তনি পরচিালকরে কাছে কনে দুই শশিুকে র্ভতি করা হয়নি তা জানতে চাওয়া হয়ছে।ে

হাসপাতালগুলো হলো- বঙ্গবন্ধু শখে মুজবি মডেকিলে বশ্বিবদ্যিালয় হাসপাতাল, ঢাকা শশিু হাসপাতাল ও মুগদা ইসলাময়িা হাসপাতাল।

ডপেুটি অ্যার্টনি জনোরলে একএেম আমনি উদ্দনি মানকি বলনে, সোমবার সকালে সুপ্রমি র্কোটরে এমএলএসএস আবুল কালাম আজাদরে স্ত্রী সায়রো খাতুনকে মুগদা হাসপাতাল নওেয়ার পথে সএিনজরি মধ্যে দুটি সন্তান প্রসব করনে।

এ সময় তারা প্রসূতকিে ইসলাময়িা হাসপাতালে র্ভতি কর।ে র্পযাপ্ত চকিৎিসা সুবধিা না থাকায় হাসপাতাল র্কতৃপক্ষ নবজাতকদরে শ্যামলীর ঢাকা শশিু হাসপাতালে নয়িে যতেে বল।ে

এরপর নবজাতকদরে নয়িে শ্যামলীতে ঢাকা শশিু হাসপাতালে নয়িে যাওয়া হয়। সখোনে বডেে র্ভতি করতে প্রতি বাচ্চার জন্য ৫ হাজার করে টাকা চাওয়া হয়। টাকা না থাকায় বাচ্চা দুটকিে র্ভতি করা হয়ন।ি

এ সময় আবুল কালাম আজাদ হাইর্কোটরে এক বচিারপতরি সঙ্গে কথা বলনে। বচিারপতি নবজাতকদরে বঙ্গবন্ধু মডেক্যিালে নয়িে যতেে বলনে। পরে তনিি বঙ্গবন্ধু মডেক্যিালে নয়িে আসনে এবং পরচিালকরে সঙ্গে যোগাযোগ করার চষ্টো করনে।

কন্তিু পরচিালকরে ব্যক্তগিত র্কমর্কতা তাকে জানান পরচিালক মটিংিয়ে আছনে। র্দীঘ সময় পর জানানো হয় পরচিালক বাসায় চলে গছেনে।

এরপর পরচিালকরে ব্যক্তগিত র্কমর্কতা একজন চকিৎিসককে দয়িে অ্যাম্বুলন্সেে নবজাতকদরে দখোন। তখন সইে চকিৎিসক জানান নবজাতক আর বঁেচে নইে।

 

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ