পাঠ্যবই প্রস্তুতে ব্যস্ত সময় পার করছনে মুদ্রণর্কমীরা

প্রকাশিত: ৮:০৩ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১২, ২০২০

পাঠ্যবই প্রস্তুতে ব্যস্ত সময় পার করছনে মুদ্রণর্কমীরা

পহলো জানুয়ারি শক্ষর্িাথীদরে হাতে নতুন বছররে পাঠ্যপুস্তক তুলে দয়ো হব।ে এজন্য প্রাথমকি ও মাধ্যমকি স্তরে এ বছর ১৫১টি মুদ্রণ প্রতষ্ঠিানে ৩৫ কোটি বই ছাপানো হচ্ছ।ে বই ছাপা ও বাঁধাইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছনে রাজধানীর মুদ্রণপাড়ার র্কমীরা। ইতোমধ্যে জলো-উপজলো র্পযায়ে নতুন বই পাঠানো শুরু হয়ছেে বলে জাতীয় শক্ষিাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক র্বোড (এনসটিবি)ি সূত্রে জানা গছে।ে
এনসটিবিি সূত্রে জানা গছে,ে চলতি বছর মাধ্যমকিে চার ধরনরে মোট ১১টি বইয়ে পরর্বিতন আনা হয়ছে।ে এগুলো হল- ষষ্ঠ থকেে নবম শ্রণেরি ইংরজে,ি বাংলাদশে ও বশ্বিপরচিয় এবং বাংলাদশে ও বশ্বিসভ্যতার ইতহিাস। এই তনি বষিয়রে আছে মোট আটটি বই। এছাড়া ষষ্ঠ থকেে অষ্টম শ্রণেরি আনন্দপাঠ বা দ্রুতপঠন বইগুলো নতুন করে তরৈি করা হয়ছে।ে মাধ্যমকিরে বইয়ে এবার নতুন সংযোজন হচ্ছে প্রত্যকেটরি কভার পজেরে ভতের দুই অংশে বঙ্গবন্ধু, মুক্তযিুদ্ধ ও বাংলাদশে এবং র্বতমান সরকাররে উন্নয়নরে ওপর বাছাইকৃত ৭২টি চত্রি। এছাড়া নবম শ্রণেরি বাংলা ব্যাকরণ বই পরর্বিতন করে সহজ পাঠ করা হচ্ছ।ে

এনসটিবিি চয়োরম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা জাগো নউিজকে বলনে, নানা কারণে এ বছর বইয়রে মুদ্রণ কাজ শুরু করতে দরেি হয়ছে।ে তবে ইতোমধ্যে মাধ্যমকিরে প্রায় আড়াই কোটি এবং প্রাথমকি স্তররে বশে কছিু বই ছাপার কাজ শষে হয়ছে।ে গত দুই সপ্তাহ থকেে প্রাথমকিরে বই জলো-উপজলো র্পযায়ে পাঠানো হলওে প্যাকটেংি সমস্যার কারণে মাধ্যমকিরে বই পাঠানো শুরু করা যায়ন।ি তবে দ্রুত সময়রে মধ্যে শুরু করা হব।ে ডসিম্বেররে শষেরে দকিে দশেরে সকল জলোয় ৩৫ কোটি পাঠ্যবই পৌঁছে দয়ো হবে বলে জানান তনি।ি
সূত্র জানায়, মুদ্রাকরদরে সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ৩১ ডসিম্বেররে মধ্যে সকল বইয়রে মুদ্রণকাজ শষে হবে না। বশেকছিু প্রতষ্ঠিান মধ্য জানুয়ারি র্পযন্ত বই সরবরাহরে সময় পাচ্ছ।ে তাছাড়া কভার অনুমোদনে জটলিতা ও কাগজরে দাম বৃদ্ধসিহ বশে কছিু কারণে মুদ্রণরে কাজ আগে শুরু করা যায়ন।ি এ কারণে পছিয়িে আছে মুদ্রণকাজ। তবে এনসটিবিরি চয়োরম্যান বুধবার (১১ নভম্বের) রাতে জানয়িছেনে, মুদ্রাকরদরে বুঝয়িে হলওে ৩১ ডসিম্বেররে মধ্যে কাজ শষে করে আনা হব।ে
২০১০ সাল থকেে সরকার নবম শ্রণেি র্পযন্ত বনিামূল্যে পাঠ্যবই দচ্ছি।ে সইে থকেে প্রতবিছর ১ জানুয়ারি উৎসবরে মাধ্যমে শশিুদরে হাতে বই তুলে দয়ো হয়। উৎসবরে নাম দয়ো হয়ছেে পাঠ্যপুস্তক উৎসব বা বই উৎসব।

মহামাররি কারণে এ বছর বই উৎসব হবে না বলে জানয়িছেনে শক্ষিামন্ত্রী ডা. দীপু মন।ি তনিি বলছেনে, করোনা সংক্রমণরে কারণে ১ জানুয়ারি কন্দ্রেীয়ভাবে বই উৎসব পালন করা হবে না। তবে স্কুলে স্কুলে ও শশিুদরে কাছে বই যথাসময়ে পৗেঁছে দয়ো হব।ে
এদকিে রাজধানীর বভিন্নি ছাপাখানায় সরজেমনিে গয়িে দখো গছে,ে বই তরৈি ছাপাখানার র্কমচারীরা ব্যস্ত সময় পার করছনে। বই ছাপা, বাইন্ডংি, পস্টেংি, বান্ডলি করা, বই গণনাসহ নানা ধরনরে কাজ করছনে র্কমচারীরা। বই প্রস্তুতরে পর তা ট্রাকে করে বভিন্নি জলোয় পাঠয়িে দয়ো হচ্ছ।ে
মুদ্রণকারীরা জানান, করোনার কারণে এ বছর ছাপার কাঁচামাল দশেে সঠকি সময়ে পৗেঁছনে।ি আবার মুদ্রণ শ্রমকিদরে করোনা আক্রান্ত হওয়ার কারণওে কাজে বঘ্নি ঘটছে।ে এতসব প্রতবিন্ধকতার মধ্যওে সকল শক্ষিাপ্রতষ্ঠিানে বই পৗেঁছানোর প্রস্তুতি নয়ো হয়ছে।ে

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ