সাফল্যগাঁথা কর্মবীর কাউন্সিলর আজাদকে জন্মদিনে শুভেচ্ছা

প্রকাশিত: ৫:৩৫ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৬, ২০২১

সাফল্যগাঁথা কর্মবীর কাউন্সিলর আজাদকে জন্মদিনে শুভেচ্ছা
রাফিউল করিম মাসুম ::
আজাদুর রহমান আজাদ সিলেট মহানগরবাসীর আস্থার জনপ্রিয় নাম। যিনি ইতিমধ্যে স্বীয় কর্মের মাধ্যমে নগরবাসীর হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন । একজন আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক, জনপ্রতিনিধি, ক্রীড়াবিদ ও সংগঠক এবং সর্বশেষ একজন করোনা প্রতিরোধ যোদ্ধা হিসেবে নিজের নাম সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন ।
সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী একজন মানুষ হিসেবে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগে বিশ্বনন্দিত প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার আদর্শিক কর্মী হিসেবে মানুষের কল্যাণে দিবারাত্রি কাজ করে যাচ্ছেন কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ। চাইলেই বিলেতের বিলাসী জীবনের চাকচিক্যে নিজেকে সাজিয়ে নিতে পারতেন কিন্তু এদেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার একান্ত প্রয়াস তাঁকে বিলেতের মোহ আকৃষ্ট করে না । পিতা মুজিবের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ করতেই উনার যত আনন্দ ।
কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ ১৯৭১ সালে ১৭ই এপ্রিল সিলেট নগরীর টিলাগড় এলাকায় সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন । পিতা কুনুউর রহমান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে একজন বৃটিশ সৈনিক ছিলেন । ছোট চাচা এডভোকেট শফিকুর রহমান সিলেট মহকুমা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন । ১৯৭৫ সালে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরকে নির্মম নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যখন কালো অন্ধকার নেমে আসে ঠিক সেই মুর্হুতে জনাব আজাদুর রহমান আজাদের চাচা এডভোকেট শফিকুর রহমান সিলেট মহকুমা, অর্থাৎ সিলেট, সুনামগঞ্জ , হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন । বলতে গেলে ৭৫ পরবর্তী সময়ে এই পরিবার থেকেই সিলেটের আওয়ামী লীগ পরিচালিত হতো।
আওয়ামী পরিবারে জন্ম নেওয়া আজাদুর রহমান আজাদ স্কুলে থাকা অবস্থায় ১৯৮৫ সালে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক হিসেবে আওয়ামী রাজনীতিতে তার পথচলা শুরু করেন। নগরীর সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণীর ছাত্রবস্থায় তিনি স্কুল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন । স্কুলে থাকা অবস্থায় সেই ১৯৮৫ সালে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে দেয়াল লিখনের সময় আটক হয়ে কারাবরণ করেন আজাদ। ১৯৮৮ সালে এস.এস. সিতে প্রথম বিভাগ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়ে সিলেটের ঐতিহাসিক বিদ্যাপীঠ সিলেট সরকারি কলেজ ভর্তি হন এবং পরের বছরেই তিনি সিলেট সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে তৎকালীন স্বৈরশাসক এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে নিয়োজিত হয়ে সিলেটের রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তোলেন।
এরশাদ বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে তৎকালীন সিলেট যুবলীগের সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ইফতেখার হোসেন শামীম এবং আজাদুর রহমান আজাদ একই সাথে গ্রেফতার হন এবং দীর্ঘদিন কারাবন্দী থাকেন। ১৯৮৭ সালে জামাত শিবিরের নির্মম নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন ছাত্রলীগের জুয়েল, মনি ও তপন। বিএনপি জামাত শিবিরের নৃশংস এই হত্যার বিচার দাবিতে তৎকালীন নেতৃবৃন্দের সাথে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তোলেন আজাদ ।
অবৈধ স্বৈরাচারী শাসক আন্দোলন দমন করার জন্য নির্বিচারে আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের গ্রেফতার করলে ১৯৮৭ সালে ২৪ সেপ্টেম্বর আজাদুর রহমান আজাদকে গ্রেফতার করা হয়। আজাদুর রহমান আজাদ ১৯৯২ সালে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে দেশরত্ন শেখ হাসিনা নির্দেশিত সিলেট জেলা ছাত্রলীগের ৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে পুনরায় সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। বিএনপি, জামাত জোট সরকারের অবৈধ কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের জেল, জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েও পিতা মুজিবের আদর্শ থেকে পিছপা হননি তিনি। নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে বন্ধুকের নলকে উপেক্ষা করে সিলেটের রাজপথে অসংখ্য আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। যা ইতিহাসের সোনালী অধ্যায়ে স্বর্ণাক্ষরে খুদিত।
দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের পর ১৯৯৬ সালে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে আজাদুর রহমান আজাদ যুবলীগের রাজনীতিতে পদার্পণ করেন। তিনি ১৯৯৮ সালে সিলেট জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হয়ে সিলেট জেলায় যুব জাগরণ সৃষ্টি করেন যার ফলস্রুতিতে ২০০৩ সালে ৩০ই জুলাই অনুষ্ঠিত সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি সিলেট জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন । আজাদের নেতৃত্বে সিলেট জেলা যুবলীগ বিএনপি জামাতের বিরুদ্ধে সিলেটের রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তোলেন এবং বাংলাদেশের মধ্যে সিলেট জেলা যুবলীগকে সুশৃঙ্খল ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলেন । আজও সিলেটের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা যুবলীগ বলতে আজাদকেই বোঝেন।
সিলেট জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক থাকা অবস্থায় ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট বিএনপি জামাতের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সমাবেশে উপস্থিত থেকে আজাদ ইতিহাসের আরেক নির্মম বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী হন। বিএনপি জামাত চক্র সেদিন দেশরত্ন শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার উদেশ্যে গ্রেনেড হামলা চালালে জনাব আজাদুর রহমান আজাদ সেই নৃশংস বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়েও প্রানপ্রিয় নেত্রীকে বাঁচাতে নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে শেখ হাসিনাকে রক্ষার মানবপ্রাচীর গড়ে তোলেন ।
সে দিনের সেই দুর্বিষহ স্মৃতি আজও তাঁকে তাড়া করে বেড়ায় । ২০০৬ সালে ২৮ অক্টোবর খালেদা–নিজামীদের চক্রান্তের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের লগি বৈঠা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে মামলার এক নম্বর আসামি করা হয়েছিলো আজাদুর রহমান আজাদকে । আওয়ামী লীগের দুর্দিনে শত নির্যাতন আর মামলার শিকার হয়েও বঙ্গবন্ধু এবং শেখ হাসিনা প্রশ্নে সর্বদা আপোষহীন এই আওয়ামী লীগ নেতা ।
২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি সিলেট জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের মত গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব পালন করেন। সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রথমে তিনি তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর ২০১১ সাল ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ৷ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে এবং মহানগর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক কারণে আজাদুর রহমান আজাদ এ পর্যন্ত ৬ বার কারাবরণ করেছেন। ১৯৯৪ সালে বিএনপির শাসনামলে ডিগ্রী পরীক্ষার সময় মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার হন আজাদ।
২০০২ সালে তৎকালীন সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার হোসেন শামীমের সাথে বিএনপি-জামাত সরকারের আমলে আবারও নগরীর জিন্দাবাজার থেকে আটক হন তিনি। ২০০৩ সালে আরো একবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে গ্রেফতার হন আজাদ। একই বছর ৭৪-এর বিশেষ ক্ষমতা আইনে কারান্তরীণ থাকেন দীর্ঘ ৮ মাস। ২০০৭ সালে ওয়ান ইলেভেনের সময়েও গ্রেফতার হন আজাদুর রহমান আজাদ । পিতা মুজিবের আদর্শ বাস্তবায়নে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে জীবনের সোনালী দিনের অধিকাংশ সময় অন্ধকার প্রকোষ্ঠে ছিলেন তিনি ।
জনপ্রতিনিধির ক্ষেত্রেও আজাদুর রহমান আজাদের পরিবার ভূমিকা রেখেছেন। সিলেটের প্রাচীনতম টুলটিকর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন উনার বড় ভাই আজিজুর রহমান মানিক। শত বছরের পুরনো সিলেট পৌরসভা যখন সম্প্রসারিত হয়ে ১৩টি ওয়ার্ডে উন্নীত হলে তাঁর আরেক ভাই সাজ্জাদুর রহমান সাজু ১৯৯৫ সালে তৎকালীন ৯নং ওয়ার্ডের কমিশনার নির্বাচিত হন।
তারপর ২০০২ সালে সিলেট পৌরসভা সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হলে সেই ধারাবাহিকতায় ২০০৩ সালে প্রথম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে যুবনেতা আজাদুর রহমান আজাদ প্রথমবারের মতো ২০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। ২০০৮, ২০১৩ এবং সর্বশেষ ২০১৮ সালে সিটি নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেন আজাদুর রহমান আজাদ ।
তিনি শুধু একজন সফল জনপ্রতিনিধি হিসেবেই নয়, একজন সমাজসেবক, মানবতাবাদী ও ক্রীড়াবিদ হিসেবেও স্বপ্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন ।বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ফুটসাল টুর্নামেন্ট কাউন্সিলর আজাদ কাপ ফুটসাল টুর্নামেন্ট, ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট ও ঘুড়ি উৎসব নিয়মিত আয়োজন করে দেশব্যাপী ব্যাপক খ্যাতি লাভ করেছেন । এছাড়াও র্যাকেট হাতে ছুটে গেছেন মালয়েশিয়া, লন্ডন, ব্রুনেইসহ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে যোগদান করে দেশের জন্য বয়ে নিয়ে এসেছেন সম্মান। ব্যক্তিগত জীবনে আজাদুর রহমান আজাদ এক পুত্র ও দুই কন্যা সন্তানের জনক।
১৯৯৬ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন যুক্তরাজ্য প্রবাসী নাজমা রহমানের সাথে । তাঁর স্ত্রী নাজমা রহমানও যুক্তরাজ্যের মূল ধারার রাজনীতির সাথে জড়িত। নাজমা রহমান কেমডেন ওয়েস্ট হ্যাম্পস্টেড লেবার পার্টির নির্বাচিত কাউন্সিলর এবং সেখানকার লেবার পার্টির সাধারণ সম্পাদক । আজাদুর রহমান আজাদের মেয়ে নওশীন তাসপিয়া রহমান অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে কমিউনিকেশন সার্ভেয়িং বিজনেস এন্ড মেনেজমেন্টে লেখাপড়া করছেন এবং ছেলে আল মাহি মোঃ ইবতেশাম রহমান ইফতি কোরআনে হাফেজ ও ছোট মেয়ের বয়স ৬ মাস ।
আপাদমস্তক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রেমিক জনাব আজাদুর রহমান আজাদ অবিরাম ছুটে চলেন মানুষের কল্যাণে । জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি অবিচল আস্থাশীল জনাব আজাদুর রহমান আজাদ ইতিমধ্যে সিলেট মহানগর বাসীর সুহৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন । সুখে দুঃখে পাশে দাঁড়ানো একজন সফল চরিত্র হিসেবে নিজের নাম সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন । জাতির প্রতিটা ক্রান্তিলগ্নে বুকচিতিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন জননেতা জনাব আজাদুর রহমান । সারা বিশ্বে যখন মহামারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বাংলাদেশেও হানা দিয়েছে মহামারী এ ভাইরাস । বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস বিস্তারের শুরুতেই সিলেটে প্রথম করোনা প্রতিরোধ যোদ্ধা হিসেবে মাঠে নামেন আজাদুর রহমান আজাদ ।
করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কর্মহীন গরিব মানুষের ঘরে ঘরে সিলেটে তিনিই প্রথম তিন হাজার পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন । সরকারি ত্রাণ সহায়তা তিনি প্রায় প্রতিদিনেই অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন গভীর রাত পর্যন্ত । শুরু তাই নয় সিলেটে অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ব্যক্তিগত উদ্দ্যোগে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প চালু করে মানুষের ঘরে ঘরে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিয়েছেন। তিনি নিজেও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। কিন্তু করোনাকে জয় করে আবারও মানব কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করেন কাউন্সিলর আজাদ।
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন । আর এ কাজে ছাঁয়াসঙ্গী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন উনার সুযোগ্য সহধর্মিণী নাজমা রহমান । আজ মহান এই মানুষটির জন্মদিন । জন্মদিনের এই বিশেষ মূহুর্তে হৃদয় নিংড়ানো ভালবাসা, শুভেচ্ছা ও দোয়া রইলো আমার রাজনৈতিক পথচলার একমাত্র অভিভাবক, শ্রদ্ধাভাজন জননেতা জনাব আজাদুর রহমান আজাদ ভাই।
শুভেচ্ছান্তে :
রাফিউল করিম মাসুম,
সাবেক উপ দপ্তর সম্পাদক,
সিলেট জেলা ছাত্রলীগ।
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ